মহারাজপুর মেলার মোড়ে র্যাব-৫ এর অভিযানে বিপুল পরিমানে ইয়াবাসহ ০৩ মাদক ব্যবসায়ী আটক প্রকাশিত : ০৩/১০/২০১৯, সময় : ১০:১৫পি,এম র্যাব-৫ এর অভিযানে বিপুল পরিমানে ইয়াবাসহ ০৩ মাদক ব্যবসায়ী আটক। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-৫, রাজশাহীর সিপিএসসি, মোল্লাপাড়া ক্যাম্পের একটি অপারেশন দল কর্তৃক অদ্য ০৩ অক্টোবর ২০১৯ তারিখ আনুমানিক বিকাল ০৩.৪০ ঘটিকায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন মহারাজপুর মেলার মোড়ের দুলাল মার্কেটের সামনে অপারেশন পরিচালনা করে। অভিযানে, মাদক ব্যবসায়ী ১। মোঃ সিহাব (২৬), পিতা-মারতু বিশ্বাস, সাং-ভাগ্যভগবানপুর ২। মোঃ সেলিম রেজা (২৬), পিতা-মোঃ আঃ খালেক, সাং-আকন্দবাড়ি, ৩। মোঃ ইব্রাহীম বিশ্বাস (৩৫) পিতা- মোঃ রইজুদ্দিন, সাং-আকান্দবাড়ি, সর্ব থানা-চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, জেলা- চাঁপাইনবাবগঞ্জকে (ক) ৪,৯২৫ পিচ ইয়াবা (খ) ০২ টি মোবাইল (গ) ০৪ টি সীমকার্ড (ঘ) ০২ টি মেমোরী কার্ড (ঙ) ৪,৮০০/-টাকা সহ আটক করা হয়। র্যাব-কে তথ্য দিয়ে সহায়তা করুন। মাদক-কে না বলুন।
Popular posts from this blog
চাঁপাইনবাবগঞ্জের বারোঘরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবুল খায়ের এর বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ। 29 April 2020 বিশেষ প্রতিনিধিঃচাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বারঘরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবুল খায়েরের বিরুদ্ধে ত্রাণের চালসহ ভিজিডির কার্ড নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে জানা গেছে, বারঘরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবুল খায়ের নিজের ছেলে আসিফ, হারেজ মেম্বার, হারেজ মেম্বারের ২য় স্ত্রী বিজলি বেগম, বাক্কার চৌকিদার ও মামুন সহ কয়েক জনের সহযোগিতায় ভিজিডির ১৩০টি কার্ড এবং ১০ টাকা কেজি দরে চালের ১৩৫০টি কার্ড অর্থের বিনিময়ে প্রদান করায় প্রকৃত সুবিধাভোগিরা সেটা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। ১০ টাকা কেজি চাল ও ভিজিডি একই পরিবারে ৪ টি কার্ড দেয়ার নজির সৃষ্টিও করেছেন চেয়ারম্যান আবুল খায়ের। এছাড়াও তিনি ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে মাতৃত্বকালীন ভাতা, চল্লিশ দিনের কর্মসূচি, বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ডে অর্থ আদায় করেছেন এবং টাকার কথা প্রকাশ পেলে কার্ডগুলো বাতিল করা হবে বলে হুমকি দিয়ে রেখেছেন। অন্যদিকে বর্তমান করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় ত্রাণের চাল নিয়েও অনিয়মের আশ্রয় নিয়েছেন। এলাকায় স্বচ্ছল ব্যক্তি হিসেবে চিহ্নিতসহ একই প...
মাদকের নতুন আইন যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা মৃত্যুদণ্ড ..... প্রকাশিত : ৩০/০৯/২০১৯, সময় : ১২:১০এ.এম (cp-news) কারও কাছে ২৫ গ্ৰাম বা তার বেশি ইয়াবা, কোকেন, হেরোইন ও পেথিড্রিন জাতীয় মাদক পাওয়া গেলে, বা এটা পরিবহন, চাষাবাদ, উৎপাদন, আমদানি-রপ্তানি বা বাজারজাত করলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা মৃত্যুদণ্ড । এই বিধান রেখে আজ শনিবার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিল ২০১৮ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বিলটি পাসের জন্য উত্থাপন করেন। হেরোইন, কোকেন ও কোকা থেকে তৈরি মাদক, মরফিন, টেট্রাহাইড্রোক্যানাবিনল, অপিয়াম, ক্যানাবিস রেসিন, মেথাডন জাতীয় মাদকের জন্য সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ডের বিধান আগের আইনেই ছিল। নতুন আইনে বলা হয়েছে, এসব মাদক ২৫ গ্রামের বেশি কেউ বহন, পরিবহন বা স্থানান্তর এবং আমদানি বা রপ্তানি করলে কিংবা চাষাবাদ, উত্পাদন বা প্রক্রিয়াজাতকরণে জড়িত হলে শাস্তি হবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা মুত্যুদণ্ড। এ বিলের ওপর জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব করে জাতীয় পার্টির সাংসদ শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, “নিষ্ঠুর আইন। ২৫ গ্রাম পরিমাণের মাদক পেলেই সাজা হবে যাবজ্জীব...

Comments